১২:০০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , ১৫ সফর ১৪৪৮ হিজরি
নোটিশ :
সারা দেশের প্রতিটি জেলা উপজেলায় প্রতিনিধি নিয়োগ। চলছে আগ্রহীদের ইমেইল/ হোয়াটসঅ্যাপ এ সিভি পাঠানোর জন্য বলা হলো

পাবনায় ট্রান্সফরমার চোরচক্রের ৬ সদস্য গ্রেপ্তার; চোরাই মালামাল উদ্ধার

  • Update Time : ০৪:৩৪:৫৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬
  • / 28

বিশেষ প্রতিনিধি:

পাবনা সদর উপজেলায় ট্রান্সফরমার চুরির ঘটনায় জড়িত আন্তঃজেলা চোরচক্রের ছয় সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা পুলিশের গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)।

এ সময় তাদের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয় চুরি হওয়া ট্রান্সফরমারের বিভিন্ন অংশ ও চুরির কাজে ব্যবহৃত সরঞ্জাম।

সোমবার (২৭ জুলাই) বিকেলে পাবনা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান পুলিশ সুপার মো. ছুফি উল্লাহ। এর আগে রবিবার (২৭ জুলাই) রাতে তাদের গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, পাবনা সদর উপজেলার চর ঘোষপুর গ্রামের আব্দুল লতিফের ছেলে উজ্জল হোসেন (৩৮), একই গ্রামের আবেদ প্রামানিকের ছেলে জীবন (২৮), সিংগা বাজার এলাকার শামজাদ ফকিরের ছেলে আরমান ফকির (৩৮), গঙ্গারামপুর গ্রামের গোলাম মোস্তফার রতনের ছেলে জহুরুল ইসলাম (৩০), পয়দা রহিমপুর গ্রামের তোরাব ফকিরের ছেলে দুলাল ফকির (৩৫) ও রামেশ্বরপুর দক্ষিণপাড়া গ্রামের ময়েজ উদ্দিনের ছেলে রফিকুল ইসলাম (৩০)।

পুলিশ সুপার জানান, গত ১০ জুলাই রাতে সদর উপজেলার দোগাছী ইউনিয়নের চর কোমরপুর এলাকায় সরকারি বিএডিসির সেচ প্রকল্পের পাশে পাবনা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২-এর একটি খুঁটিতে স্থাপিত প্রায় ৮৫ হাজার টাকা মূল্যের ১০ কেভিএ ক্ষমতাসম্পন্ন বৈদ্যুতিক ট্রান্সফরমার চুরি হয়। এ ঘটনায় পরদিন সেচ প্রকল্পের দায়িত্বে থাকা কৃষক শাহিনুর রহমান সদর থানায় অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে মামলা করেন।

ঘটনার পর তদন্ত শুরু করে জেলা পুলিশের গোয়েন্দা শাখা। আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে ও গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রবিবার (২৬ জুলাই) রাতে সদর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে ট্রান্সফরমার চোর চক্রের ছয় সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে গ্রেপ্তার হওয়া জীবন নামে এক আসামির দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তার বাড়ির পাশের একটি বাঁশঝাড় থেকে চুরি হওয়া ট্রান্সফরমারের বিভিন্ন অংশ ও চুরির কাজে ব্যবহৃত বিভিন্ন সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে মামলার বাদী শাহিনুর রহমান জেলা পুলিশের গোয়েন্দা শাখা কে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, গত বছরও আমার দুটি ট্রান্সফরমার চুরি হয়েছিল। তখন সেগুলো উদ্ধার হয়নি। তবে এবার ১৫ দিন আগে চুরি হওয়া ট্রান্সফরমার পুলিশের তৎপরতায় ফিরে পেয়েছি।

এসময় পাবনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রেজিনূর রহমান, ডিবির ওসি রাশিদুল ইসলাম সহ পুলিশের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

.site-footer.site-footer–4{ display: none; }

পাবনায় ট্রান্সফরমার চোরচক্রের ৬ সদস্য গ্রেপ্তার; চোরাই মালামাল উদ্ধার

Update Time : ০৪:৩৪:৫৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬

বিশেষ প্রতিনিধি:

পাবনা সদর উপজেলায় ট্রান্সফরমার চুরির ঘটনায় জড়িত আন্তঃজেলা চোরচক্রের ছয় সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা পুলিশের গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)।

এ সময় তাদের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয় চুরি হওয়া ট্রান্সফরমারের বিভিন্ন অংশ ও চুরির কাজে ব্যবহৃত সরঞ্জাম।

সোমবার (২৭ জুলাই) বিকেলে পাবনা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান পুলিশ সুপার মো. ছুফি উল্লাহ। এর আগে রবিবার (২৭ জুলাই) রাতে তাদের গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, পাবনা সদর উপজেলার চর ঘোষপুর গ্রামের আব্দুল লতিফের ছেলে উজ্জল হোসেন (৩৮), একই গ্রামের আবেদ প্রামানিকের ছেলে জীবন (২৮), সিংগা বাজার এলাকার শামজাদ ফকিরের ছেলে আরমান ফকির (৩৮), গঙ্গারামপুর গ্রামের গোলাম মোস্তফার রতনের ছেলে জহুরুল ইসলাম (৩০), পয়দা রহিমপুর গ্রামের তোরাব ফকিরের ছেলে দুলাল ফকির (৩৫) ও রামেশ্বরপুর দক্ষিণপাড়া গ্রামের ময়েজ উদ্দিনের ছেলে রফিকুল ইসলাম (৩০)।

পুলিশ সুপার জানান, গত ১০ জুলাই রাতে সদর উপজেলার দোগাছী ইউনিয়নের চর কোমরপুর এলাকায় সরকারি বিএডিসির সেচ প্রকল্পের পাশে পাবনা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২-এর একটি খুঁটিতে স্থাপিত প্রায় ৮৫ হাজার টাকা মূল্যের ১০ কেভিএ ক্ষমতাসম্পন্ন বৈদ্যুতিক ট্রান্সফরমার চুরি হয়। এ ঘটনায় পরদিন সেচ প্রকল্পের দায়িত্বে থাকা কৃষক শাহিনুর রহমান সদর থানায় অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে মামলা করেন।

ঘটনার পর তদন্ত শুরু করে জেলা পুলিশের গোয়েন্দা শাখা। আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে ও গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রবিবার (২৬ জুলাই) রাতে সদর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে ট্রান্সফরমার চোর চক্রের ছয় সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে গ্রেপ্তার হওয়া জীবন নামে এক আসামির দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তার বাড়ির পাশের একটি বাঁশঝাড় থেকে চুরি হওয়া ট্রান্সফরমারের বিভিন্ন অংশ ও চুরির কাজে ব্যবহৃত বিভিন্ন সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে মামলার বাদী শাহিনুর রহমান জেলা পুলিশের গোয়েন্দা শাখা কে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, গত বছরও আমার দুটি ট্রান্সফরমার চুরি হয়েছিল। তখন সেগুলো উদ্ধার হয়নি। তবে এবার ১৫ দিন আগে চুরি হওয়া ট্রান্সফরমার পুলিশের তৎপরতায় ফিরে পেয়েছি।

এসময় পাবনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রেজিনূর রহমান, ডিবির ওসি রাশিদুল ইসলাম সহ পুলিশের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।